সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে করা মামলায় করোনাভাইরাসের নমুনা টেষ্ট জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলার প্রধান আসামি সাহেদ করিমকে জেলে পাঠিয়েছেন আদালত। ১০ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে তোলা হলে এ নির্দেশ দেন বিচারক।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-৬’র এস.আই রেজাউল করিম আজ বুধবার দুপুরে দেবহাটা আমলী আদালতে সাহেদকে হাজির করেন। পরে আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজিব কুমার রায় তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোর্ট ইন্সপেক্টর অমল কুমার রায়।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৫ জুলাই বুধবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান প্রতারক সাহেদ করিমকে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর গ্রামের লাবণ্যবতী নদীর ব্রিজের নিচ থেকে বোরকা পরিহিত অবস্থায় একটি অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। পরে তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গত ২৬ জুলাই আদালতের কাছে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-৬’র এস.আই রেজাউল করিম ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন। পরদিন ২৭ জুলাই তাকে ঢাকা থেকে খুলনা র‌্যাব-৬’র কার্যালয়ে আনা হয়।

এরপর গত ৩০ জুলাই সাহেদকে পুনরায় আনা হয় শাখরা কোমরপুর লাবন্যবতী নদীর ব্রীজের উপর। সেখানে তাকে নিয়ে র‌্যাব সদস্যরা কিছুক্ষণ থাকার পর আবারও তাকে খুলনা র‌্যাব-৬’র কার্যালয়ে নিয়ে যান।