বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ইরানিয়ান স্যুকে বা বাজারে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলের পাশেই আজমান স্পেশালিটি হাসপাতাল এবং শিল্পাঞ্চলীয় এলাকায় ফলের একটি মার্কেট রয়েছে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল ওই স্যুক। আশপাশের মার্কেটের কর্মীরা জানান, কিভাবে খুব দ্রুত ওই আগুন বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। বাজারটিতে আগুন লাগার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আজমান স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে মানুষজনকে সরিয়ে নেয়া হয়। কারণ এটা বাজারের খুব কাছেই অবস্থিত। ভয়াবহ ওই আগুনের ঘটনায় আকাশে ভারী কালো ধোঁয়া উড়তে দেখা যায়।

এদিকে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তবে কী কারণে ওই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে তা এখনও জানা যায়নি। ওই স্যুকটিতে বহু মানুষ ব্যবসা করতেন, এটা আজমানের জনপ্রিয় একটি আকর্ষণীয় স্থানও বটে। কেননা আমিরাতের বহু মানুষ এখানে বাজার করতে আসেন।। এতে করে প্রায় ১০০ দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসব দোকানের মধ্যে ৮০ ভাগ দোকানের মালিকই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে।

মার্কেটে কার্পেট, কম্বল, বোরকা, কেন্দুরা, কোকারিজ, জুতা, জুয়েলারিসহ বিভিন্ন রকমের পণ্যের দোকান ছিল। এক একটি দোকানের পজিশন ব্যয় ছিল ৩-৪ লাখ দিরহাম করে। এই অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে মার্কেট বন্ধ থাকার কারণে হতাহতের কোনও ঘটনা ঘটেনি।

আজমান সিভিল ডিফেন্সের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে অগ্নিকাণ্ড পুরোপুরি নেভাতে এখনও চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এদিকে দুবাই, শারজাহ এবং উম্মে আল কোয়াইন সিভিল ডিফেন্স স্টেশনগুলো আগুন নেভানো কাজে আজমান বাহিনীকে সাহায্য করে। আগুন নেভাতে দমকলের বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। অন্যদিকে ওই রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী গাড়িগুলোকে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার আহ্বান জানায় আজমান সিভিল ডিফেন্স।