এবারে পাবনা জেলার ৯ উপজেলায় ৩২৬ টি মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। আর এ উপলক্ষে চলছে নানা প্রস্তুতি। ইতোমধ্যে প্রতিমা তৈরীর পর কারিগররা প্রতিমায় রংতুলির আঁচড় দিতে শুরু করেছেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্বল্প আয়োজনে এ বছর দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে জানা গেছে।

জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাদল ঘোষ জানান, বর্ণিল নানা আয়োজনে দূর্গা পূজার আয়োজন করা হলেও এবারে করোনার কারণে গতবারের চেয়ে কমিয়ে ৩২৬টি পূজা মন্ডপে শারদীয় দুর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে। তবে পূজায় আড়ম্বরপূর্ণ হবে না। মন্দিরগুলোতে উচ্চ শব্দে মাইক এবং ব্যান্ড পার্টি থাকছে না। শুধু ঢাক-কাশি বাজিয়ে পূজা সম্পন্ন করা হবে। মন্দিরের ভেতরে প্রতিমা দেখার জন্য লাইটিং করা হবে। ব্যাপক পরিসরে কোনও আলোকসজ্জা করা হবে না।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা জানান, তীথি অনুযায়ী আগামি ২২ অক্টোবর দেবীর আমন্ত্রণ ও আসনে অধিবাসের মধ্য দিয়ে দুর্গা পূজা শুরু হবে। এরপর ২৬ অক্টোবর প্রতিমা বিসর্জনে মধ্যে দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনের শারদীয় এই উৎসব। এ বছর দেবীর দোলায় আগমন এবং গজে গমন এমনটি জানাচ্ছেন তারা।

জেলা প্রশাসক কবীর মাহমুদ জানান, প্রতিটি পূজা মন্ডপে সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রেখে সুষ্ঠুভাবে পূজা উদযাপনের জন্য প্রশাসন থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরের জন্য অর্ধ টন হিসেবে মোট ১৬৩ টন চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আর পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, নিরাপদ ও নিরাপত্তার সঙ্গে পূজা উদযাপনের জন্য সব ধরনের প্রস্তুুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উৎযাপনের জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিমা প্রস্তুতিন সময়ও মন্দিরগুলোতে সতর্ক দৃষ্টি রাখা হচ্ছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখেত পূজা শুরু হলে মন্দিরগুলোতে পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়োজিত থাকবে এবং পুলিশ ও র‌্যাবের টহল টিম রাখা হবে বলে পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে।