স্বাধীনতা

______________
হে স্বাধীনতা –
যুগ-যুগান্তর পেরুল তোমায়
করেছি জয়
আজও তোমার কিসের ভয়?

হে স্বাধীনতা –
তুমি কেন আজও পরাধীনতার শৃঙ্খল
বন্দি?
কেন ঐ পাপিষ্ঠাদের সাথে করেছ
সন্ধি?

হে স্বাধীনতা –
তুমিতো একেবারে মুক্ত
তবে কেন হয়েছ অপরাধীদের
সাথে যুক্ত?

হে স্বাধীনতা –
যারা করছে তোমায় তিরস্কার
তুমি কেন দাও তাদের পুরস্কার?

হে স্বাধীনতা –
যারা দেখিয়েছিল নিন্দার যুক্তি
তাদের মুখে কেন দেশ প্রেমের উক্তি?

হে স্বাধীনতা –
ঐ প্রভু ভক্তরা আজ দেখায় নীতি,
তারা কি ভুলে গেছে অতীতের স্মৃতি?

হে স্বাধীনতা –
দাও তোমার শেষ বানী
সর্বশেষ ইতি টানি।


নিস্তব্ধ পথের যাত্রী

_____________________________
পৃথিবীর মায়া ছায়া ছেড়ে
নিস্তব্ধ পথের যাত্রীর টিকেট নিলাম কেটে।
কাক ডাকা ভোরে ফজরের নামায শেষে
যখন সূর্য্যি উঠে পূর্ব গগনে একটু হেসে।
ঠিক তখন,মসজিদে মাইকে বলবে আমার মৃত্যু কথা
যে বলবে তার বুকের আমার জন্য পাচ্ছে ব্যাথা।

বাড়ীতে আজ কান্নাকাটি
নাই কেউ পরিপাটি
কেউ খোঁজে বরই পাতা
কেউ বলছে আমার কৃতী কথা
কেউ ছুটছে বাঁশ বনে
কেউ পড়ছে দোয়া দরুদ মনে।
বাজারে সদাই করে সাদা কাপড়
গোলাপজল অাগর বাতি
কেউ কারো নয় হবে না কেউ সাথী।
বড় পাতিলে আজ গরম পানি
গোসল দিবে কিন্তুু মনের পাপ কি মুছবে ইতিটানী।
__
গাঁয়ের মুরুব্বী সবাই কে শুধাইল
আপনার সবাই মাপ করে দেন
এই মূল্যবান উক্তি খানি।
সবাই কাতর কন্ঠে মাপ ,মাপ, মাপ,
সে ভালো মানুষ আমরা জানি।
চল্লিশ কদম গুনে ,
কালিমা পড়ছে মনে মনে।
উপস্থিত আমার বন্ধু,অাত্নীয় পরিজন
কাতর তাঁদের দেহ মন।

দুই রাকাত জায়নামাজ শেষে
নিয়ে যাচ্ছে অচিনা দেশে
আমি যাচ্ছি ছুটে,ত্রুটি নিয়ে অন্ধকার কূপে
বন্ধ আমার বাক,আমি আছি চুপে।
অন্ধকার ঘরে থুয়ে কলা পাতা বাঁশ দিয়ে
দিতে লাগলো মুঠোমুঠো মাঠি
পৃথিবীর আলো দেখা দিচ্ছি ধীরেধীরে ছাড়ি
অচিন পুরে দিচ্ছি পাড়ি।

আজ কোথায় আমার পিতামাতা?
আজ কোথায় আমার কবিতার খাতা?
আজ কোথায় আমার পথ চলার সঙ্গী?
আজ আমি নিস্তব্ধ পথের যাত্রী
গাঢ় অন্ধকার সতত থাকে রাত্রি
নাম তাহার অন্ধকার কবর
সুন্দর মায়াবী পৃথিবীর নেই খবর।

সাজ্জাদ হোসেন সাখাওয়াত