ম্যাজিষ্টেটের কাছে নওগাঁর আত্রাইয়ে চাঞ্চল্যকর আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম হত্যার দায় স্বীকার করেছে সুমন। গতকাল সোমবার সন্ধা ৬ টায় নওগাঁ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্টেট আদালতের বিচারক মোঃ তাজুল ইসলাম সুমনের জবানবন্দী রেকোর্ড করেন। হত্যার লোমহর্ষক তথ্য দিয়েছে বলে আত্রাই থানা ওসি মোসলেম উদ্দিন সোমবার সন্ধা সাতটায় সাংবাদিকদের জানান।

ম্যাজিষ্টেটের বরাত দিয়ে আত্রাই থানার ওসি জানান, কয়েক বছর আগে আত্রাই বেলি ব্রিজের উত্তরপার্শে এম আর এস সু গ্যালারী দোকান করার সময় প্রতিবেশি সুমনকে দু’লক্ষ টাকা ধার দেয় মৃত রফিকুল। এক লক্ষ টাকা পরিষোধ করলেও বাঁকী টাকা আজ কাল করে বছর পেরিয়ে গেলে চাপেরমুখে গত ১০ অক্টোবর টাকা দেওয়ার দিন ধার্য্য করে সুমন। দিন ধার্য্য করার পর গত ৫ অক্টোবর সোমবার সুমনসহ চারজনে গোপন মিটিং করে। টাকা যেন ফেরত না দিতে হয় সেজন্য রফিকুলকে হত্যার পরিকল্পনা করে তারা। টাকা দেওয়ার ধার্য্যকৃত দিন গত ১০ অক্টোবর রাত্রি আনুমানিক সারে আটটার দিকে সুমন মোবাইল করে তার দোকান হতে টাকা নিয়ে যেতে বলে মৃত রফিকুলকে।রফিকুল নিজ গ্রাম খোলাপাড়া মসজিদে নামাজ শেষে জামাতের আলোচনায় ছিলেন তখন। মোবাইল পেয়ে দশ মিনিটের সময় নিয়ে মসজিদ ছেড়ে আসে মৃত রফিকুল। এর মধ্যে দোকানের একটি শার্টার বন্ধ এবং আরেকটি অর্ধেক নামিয়ে রাখে সুমনগং। মৃত রফিকুল দোকানে ঢোকামাত্র ঐ শার্টার নামিয়ে কাপড় দ্বারা তার মুখ-হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। রাত্রি গভীর হলে বস্তাবন্দি করে পিছন দরজা দিয়ে লাশ আত্রাই নদীতে ফেলে দেয় তারা।

আত্রাই থানা ওসি মোসলেম উদ্দিন বলেন,নিহত রফিকুলের স্ত্রী দৌলতুন্নেছা বাদীহয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। আমরা সুমনকে আটক করে হত্যার রহস্য পাই।