মীর আনিস: ফরিদপুরের মধুখালী পৌর নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ ডিসেম্বর। এ নির্বাচনকে ঘিরে পুরো মধুখালী এলাকা এখন নির্বাচনী জোয়ারে ভাসছে। সর্বত্রই উৎসব আমেজ বিরাজ করছে। সর্বত্রই প্রার্থী ও কর্মী সমর্থকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো নির্বাচনী এলাকা।

নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীরা শুক্রবার সকাল হতে রাত পর্যন্ত ব্যাপক গণসংযোগ, বৈঠক ও পথসভার মধ্য দিয়ে ব্যস্ত দিন কাটিয়েছেন। জুম্মাবার হওয়ায় এদিন প্রার্থীরা তাদের কর্মী সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেছেন। এসময় তারা মুসুল্লীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেছেন, কথা বলেছেন এবং ভোট ও দোয়া চেয়েছেন। কর্মী সমর্থকদের নিয়ে প্রার্থীরা পাড়া-মহল্লায়, দোকানপাট ও ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গিয়ে গণসংযোগ করেছেন এবং প্রচারপত্র বিতরণ করে ভোট চাইছেন।

এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে মোট ৭জন প্রার্থীতা ঘোষনা করলেও আলোচনায় আছেন বর্তমান মেয়র খন্দকার মোরশেদ রহমান লিমন, তরুন আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক জিএস শাহরিয়া রুমি রনি, থানা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ইলিয়াস মিঞ্া ও মধুখালী পৌর বিএনপির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সাহাবুদ্দীন আহম্মেদ সতেজ।

মধুখালীর সবার দৃষ্টি আওয়ামীলীগের দিকে। লিমন, ইলিয়াস না রনি ? আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনয়ন পাবেন কে? থানা আওয়ামীলীগে আছে বিভেদ। প্রার্থী বাছাই করতে একটু ভুল হলেই হতে পারে বিষ্ফোরন। অন্যদিকে বিএনপির সাহাবুদ্দীন সতেজ একক প্রার্থী। দলে বিভেদ থাকলেও নির্বাচনে সবাই ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবে বলেই প্রত্যাশা করেন সতেজ।

তবে নির্বাচনী প্রচারে পিছিয়ে নেই অন্য ৩ মেয়র প্রার্থী এবং সাধারণ আসনের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলররাও। তারাও হন্যে হয়ে ছুটছেন ভোটারদের কাছে। নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচনী উত্তাপ ইতোমধ্যে দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী উত্তাপ ক্রমশঃ বাড়ছে । উত্তাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রার্থীদের নানা অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।