dmp-news-1

গত ১৭/০৫/১৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা ০৬.০০ ঘটিকার সময় সায়েম গ্রুপের এজিএম (মার্কেটিং) মনিরুল ইসলাম সবুজবাগ থানাধীন নন্দিপাড়া ব্রীজের পূর্বপাশে গাড়ী থামিয়ে ড্রাইভারকে পার্কিংয়ে রেখে “কিছুক্ষণের মধ্যে আসতেছি” বলে পায়ে হেটে অজ্ঞাত স্থানে চলে যান। পরবর্তীতে তিনি আর ফিরে না আসায় এবং মোবাইল বন্ধ পাওয়ায় তার পরিবার সবুজবাগ থানায় একটি জিডি দায়ের করেন, যার নম্বর হল-৯২৬, তারিখ-১৭/০৫/১৬ খ্রিঃ। পরদিন ১৮/০৫/১৬ ইং তারিখ ভোর ০৬.০০ ঘটিকায় খিলগাঁও থানা পুলিশ খিলগাঁও থানাধীন মোস্তমাজির মোড়ে রাস্তার উত্তর পাশ হতে নিঁখোজ মনিরুল ইসলামের লাশ উদ্ধার করা হয়। এই সংক্রান্তে খিলগাঁও থানার মামলা নং-৩৪, ধারা-৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।

ঘটনার পর হতে জনাব মোঃ আব্দুল বাতেন পিপিএম, যুগ্ম পুলিশ কমিশনার, গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগ জনাব মোঃ মাহবুব আলম পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার এবং জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান পিপিএম, অতিঃ উপ-পুলিশ কমিশনার, গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য (পূর্ব) বিভাগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকাবৃন্দের সার্বিক নির্দেশনায় এবং মোঃ ইকবাল হোছাইন, পিপিএম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার, খিলগাঁও জোনাল টিম, গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য (পূর্ব) বিভাগ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, ঢাকা এর নেতৃত্বে ডিবি নিবিড় ছায়া তদন্ত শুরু করে। গত ২২/০৫/১৬ ইং তারিখে মামলাটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ডিবিতে স্থানান্তরিত হয়।

মামলা স্থানান্তরের পর গত ২২/০৫/১৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা হতে ডিবির খিলগাঁও জোনাল টিম ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা মহানগরী এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা হতে হত্যাকান্ডে জড়িত আসামী মুরসালিন, শাকিল, আকাশ, আশিক ও জুয়েলকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। ধৃত আসামীরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে আসামীদের দেওয়া তথ্যমতে ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীদের সহায়তায় দক্ষিণগাঁও এলাকার বিভিন্ন জলাশয় হতে তাদের লুন্ঠনকৃত এবং ফেলে দেওয়া ভিকটিমের ০২ টি মোবাইল এবং ০১ টি ট্যাব উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়। আসামীদেরকে আরো নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ রিমান্ডের আবেদনপূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।