tpuv4blz-e1414513412832

দৈনিকবার্তা-ঢাকা, ১৮নভেম্বর: একবার হলেও জয়বাংলা-জয়বঙ্গবন্ধু বলতে হবে, তা না হলে এদেশে থাকতে পারবে না বিরোধী দল (বিএনপি)৷এমন মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট প্রমোদ মানকিন৷মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু জয় বাংলা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে বঙ্গবন্ধুর অবদান শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন৷ সংগঠনের সভাপতি কায়সার-ই-আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় মুল আলোচক হিসেবে বক্তব্য উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শিৰক অধ্যাপক মেজবাহ কামাল৷

মানকিন বলেন, লা ইলাহা ইল্লালাহু মুহাম্মাদুর রাসূল উল্লাহ বলার কারণে মৃতু্যর পরও এক ব্যক্তির মুখ পচেনি৷ তাই বিরোধী দলকে বলবো একবার হলেও বঙ্গবন্ধু বলুক, জয়বাংলা বলুক- না হলে দেশে থাকতে পারবে না৷ তাদের বাংলাদেশ ছাড়তে হবে৷ এদেশ জয়বাংলা থাকবে, জিন্দাবাদ একদিন থাকবে না৷বঙ্গবন্ধুকে মূল বৃক্ষ বলে অভিহিত করে তিনি আরো বলেন, যারা জয়বাংলা বলতে পারে না, এখনও জিন্দাবাদের মধ্যে আছেন তাদের জন্য এটা দুর্ভাগ্য৷ অন্তত একবার জয় বাংলা বলুন৷ আজকে যারা জয়বাংলা বলে না তারা একদিন বাধ্য হবে৷ বলতে তাদের বাধ্য হতে হবে৷ তা না হলে এদেশ থাকতে পারবে না৷
মানকিন বলেন, আজকে যদি ধর্মের ভিত্তিতে দেশ চলতো তবে আমি মন্ত্রী হতে পারতাম না৷ এখানে আসতে পারতাম না৷ আপনারাও এখানে আসতে পারতেন না৷তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জন্ম দিয়েছেন আর তার কন্যা শেখ হাসিনা দেশ গড়ছেন৷ যে কথা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বীকার করেছেন৷

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট প্রমোদ মানকিন এমপি বলেন, বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ এক ও অভিন্ন৷ এই চেতনার সাথে যোগসূত্র স্থাপন করেছে মুক্তিযুদ্ধে অমর শ্লোগান জয় বাংলা৷তিনি বলেন, জয় বাংলা শব্দটি আমাদের কাছে অমর সংগীতের মতো৷ কেননা এ শব্দটি যতই শোনা যায় ততই ভাল লাগে৷

তিনি আরো বলেন, জয় বাংলা শব্দটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে সঞ্জীবনী সুধার মতো কাজ করেছে৷ কেননা এ শ্লোগান উচ্চারণ করে দেশের স্বাধীনতার জন্য বীর শহীদরা তাদের জীবন উত্‍সর্গ করেছে৷প্রমোদ মানকিন বলেন, একদিন সবাইকে জয় বাংলা ও জয় বঙ্গবন্ধু বলতে হবে৷ যারা তা না বলবে তাদের জায়গা বাংলাদেশের মাটিতে হবে না৷তিনি আরো বলেন, এখন যারা জয় বাংলা বলছেন না তাদের একদিন জয় বাংলা বলতে হবে৷ তা না হলে জাতি তাদের ক্ষমা করবে না৷ ঢাকা

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল স্বাধীনতার ঘোষণা সম্পর্কে বলেন, একজন মেজর রেডিওতে ঘোষণা দিয়েছেন৷ আর তাতে জাতীয় ঐক্য গড়ে উঠেছে, দেশ স্বাধীন হয়েছে৷ এটা জাতি স্বীকার করে না, ভবিষ্যতেও করবে না৷ ১৯৬১ সালে জিয়াউর রহমানের কেউ নাম জানতো না৷ তখন তিনি ছিলেন নাবালক৷ মেজবাহ কামাল বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন আর তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশকে গড়ে তুলছেন৷ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে জাতীয় ঐক্য ফিরে এসেছে৷ যা জাতির জন্য ছিল জরুরী প্রয়োজন৷

তিনি আরো বলেন, একাত্তরের মুসলিম লীগ হয়েছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী পাকিসত্মান হয়েছে জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ আর নেজামে ইসলাম হয়েছে হেফাজতে ইসলাম৷তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় নতুন প্রজন্মকে ভুল ইতিহাস শেখানো হয়েছে৷ তাদের কাছে বাহাত্তরের সংবিধানের মূল চেতনা পৌঁছে দিতে হবে৷বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চেও ভাষণ ছিল কাব্যিক ভাষণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, সঠিক সময়ে তিনি ৭ মাচের্র ভাষণে স্বাধীনতার দিক নির্দেশনা স্পষ্ট করেছিলেন৷ তার প্রজ্ঞা ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ রাজনীতিবিদদের কাতারে৷