ঢাকার নিউ মার্কেট এলাকা হতে ‘ছিনতাইকারী চক্রের’ আটজন এবং মহাখালী থেকে ‘অজ্ঞান পার্টির’ সাত সদস্যকে আটক করার কথা জানিয়েছে র‌্যাব।র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক মিজানুর রহমান বলেন, বুধবার রাতের পর আলাদা অভিযানে ওই ১৫ জনকে আটক করা হয়।তিনি বলেন, এরা ঈদ সামনে রেখে মানুষের জানমালের ক্ষতি করার পরিকল্পনায় ছিল।তবে আটকদের পরিচয় বা তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিস্তারিত জানাননি তিনি।

এদিকে, গত ২১ জুন ২০১৭ ইং তারিখে র‌্যাব-১০ বরাবর একটি প্রতারণার অভিযোগের প্রেক্ষিতে অধিনায়ক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে সিনিঃ এএসপি কামরুল হাসান এর নেতৃত্বে ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশাল কোম্পানীর একটি আভিযানিক দল আসামী গ্রেফতারে অভিযানে নামে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিওিতে তারা আসামীর অবস্থান সনাক্ত করতে সমর্থ হয়। পরবর্তীতে রাজধানীর ডেমরা থানাধীন বাঁশের পুল এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ০৪ টি মোবাইল ফোন, ০৪ টি ক্রেডিট কার্ডসহ আসামী লাবনী আক্তার নিশি (১৯) কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামী জানায় যে, তার প্রতারণার কৌশল হলো প্রেমের ফাঁদে ফেলে সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়া। আসামী কেয়ামনি/রূপা/লতা প্রভৃতি বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করতো। তার প্রতারণার প্রধান টার্গেট হলো বাসের কিশোর-যুবক শ্রেণীর যাত্রী। সে তার বাসের সহযাত্রীর সাথে আলাপচারিতার ছলে কৌশলে মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে। পরবর্তীতে সংগ্রহকৃত নম্বরে ফোন দিয়ে কথোপকথন চালিয়ে যায় এবং ঘনিষ্ট সম্পর্ক তৈরী করে। অত:পর কোন এক সন্ধ্যায় পরিকল্পনামাফিক কোন নির্জন স্থানে ঘুরতে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবমতো টার্গেটকৃত ব্যক্তি সেখানে যেতে রাজি হলে ঘোরাঘুরির এক পর্যায়ে তাকে পূর্ব নির্ধারিত স্থানে নিয়ে যায় যেখানে পূর্বে থেকেই তার স্বামী ওঁত পেতে থাকে। অত:পর অন্তরঙ্গ মূহূর্তে স্বামী-স্ত্রী মিলে টার্গেটকৃত ব্যক্তিকে ব্লাকমেইল করে তার সাথে থাকা সবকিছু হাতিয়ে নেয়। আসামী জিজ্ঞাসাবাদে আরোও জানায় যে, এ পর্যন্ত ৩০/৩৫ জনের মতো যুবক তার প্রতারণার শিকার হয়েছে। এ সংক্রান্তে রাজধানীর ডেমরা থানায় একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্য আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।